১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  রাত ১২:৫১  ৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২৬শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

প্রণোদনায় মুক্তিযোদ্ধাদের অর্ন্তভুক্ত করার দাবি বেঙ্গলের


নিজস্ব প্রতিবেদক

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডিয়াম সদস্য মুক্তিযোদ্ধা ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল বলেছেন, দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের বয়স ৭০ উর্ধ্বে। অনেকের বয়স ৯০ এর কাছাকাছি চলে গেছে। এ বয়সে সরকারিভাবে যে ভাতা দেওয়া হয়, তা দিয়ে ঔষধের টাকাই হয় না। তাই মুক্তিযোদ্ধাদের সরকার ঘোষিত জাতীয় প্রণোদনার মধ্যে এনে সহযোগীতা প্রদান করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানাচ্ছি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসমাঈল হোসেন বেঙ্গল বলেন, মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসাসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। মূলত যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে সরকার পরিচালনা করে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের বিষয়টি তাদের উপরই বর্তায়। করোনার থাবায় স্থবির পৃথিবীর অন্যান্য রাষ্ট্র চিকিৎসাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে নাগরিকদের রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে জোর আহ্বান রেখে বলতে চাই, রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে জনগণের বিশ্বাস উঠে গেলেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর এখনও জনগণের আস্থা রয়েছে। বর্তমানে এ দুর্যোগকালীন সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা বেকার, অসহায়, গরীব ও দুস্থদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া ও করোনা আক্রান্তদের সু-চিকিৎসা নিশ্চিতের জন্য সেনাবহিনীর কাছে দায়িত্ব অর্পণ করা জরুরি বলে মনে করি।

তিনি বলেন, সরকারি সহযোগিতা রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর অনুযায়ী বণ্টন করা যেতে পারে। যাদের পরিচয়পত্র নেই তাদের নাম যাচাই-বাচাই করে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের জন্য আলাদাভাবে দলীয় পরিচয়ের দরকার নেই। রাষ্ট্র যেভাবে কাজ করলে মধ্যসত্ত্বভোগী, বঙ্গবন্ধুর পরিভাষায় চাটার দল থাকবে না সেভাবেই ত্রাণ বিতরণ করা উচিত। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশে একটি মানুষও যেনো না খেয়ে থাকে না সে কথা বাস্তবায়ন করতে হবে।