৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  রাত ৪:৪২  ২রা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

বাংলাদেশের নাচকে ঘিরে নৃত্যশিল্পি অন্যনার স্বপ্ন

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সিনিয়র নৃত্যশিল্পী শাহানাজ শারমিন অন্যনা-ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

একটা সময় নাচ ছিলো আমার নেশা। এখন সেটা পেশায় পরিণত হওয়ায় আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি। একান্ত সাক্ষাৎকারে এ প্রতিনিধির কাছে এমন অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর সিনিয়র নৃত্যশিল্পী শাহানাজ শারমিন অন্যনা।

ইডেন কলেজ থেকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা অনন্যা সম্প্রতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে একজন নৃত্যশিল্পী ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

একজন নৃত্যশিল্পী হিসেবে কীভাবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিশু বয়সে দনিয়া সবুজ কুড়ি কচিকাচার মেলায় আমার নাচের হাতেখড়ি। সেখানে নাচের শিক্ষিকা ছিলেন তাহমিনা সেলিম ও ফারজানা নাসরিন লিজা আপু। কচি কাচার মেলায় নাচের প্রশিক্ষণ শেষ হলে আমি নাচের তালিম নেয়া শুরু করি জাগো আর্ট সেন্টারে। সেখানে আমাকে নাচ আমার নৃত্য গুরু শ্রদ্ধেয় বেলায়েত হোসেন খান স্যার। সেখানে ৯ বছর মেয়াদি নাচের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করি। পাশাপাশি শ্রদ্ধেয় এম আর ওয়াসেক স্যারের কাছে নাচের তালিম নেয়ার সুযোগ হয়েছিলো।

অপরএক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিবার থেকে শুরু হয় আমার সংস্কৃতি চর্চা। মা চাইতেন আমি নাচ শিখি আর বাবা চাইতেন গান। মূলত মা-বাবার ইচ্ছে অনুসারে তিন বছর বয়সে নাচ ও গানের তালিম নেয়া শুরু করি। কিন্তু, বরাবরই আমার নাচের প্রতি বেশি টান অনুভব করতাম। এক পর্যায়ে এসে লেখাপড়ার পাশাপাশি নাচকে বেছে নেই।

নাচকে ভীষণ উপভোগ করেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এখনো প্রচুর শেখার বাকি আছে। প্রতিনিয়ত আমি শিখতে চাই। নতুন কিছু শেখার মধ্যে এক অন্যরকম আনন্দ খুজে পাই।

এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা সর্ম্পকে তিনি আরো বলেন, আমার পরিবার আমার বড় শক্তি, পরিবারে সাপোর্টের কারণে এতটুকু আসতে পেরেছি। তবে পথ চলার আরো অনেক বাকি আছে বলে তিনি মনে করেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাচকে ঘিরে আমি অনেক স্বপ্ন দেখি। একদিন সেই স্বপ্ন পূরণে আমার অংশগ্রহণ থাকবে।


এদিকে, সম্প্রতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে নৃত্যশিল্পী ও অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পেরে ভীষণ আনন্দিত। নাচকে ভীষণ ভালবাসি। তাই জীবনের বাকিটা সময় নাচ নিয়েই থাকতে চাই।

এছাড়া, দেশের এ সংকটময় পরিস্থিতিতে সবাইকে সরকারের আদেশ মেনে চলার অনুরোধ জানান অনন্যা।