৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  সকাল ৬:১৩  ২রা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচলের দাবি শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল যেন থামছে না। আজো সকাল থেকে শত শত লোক ঢাকায় ফিরতে ফেরি পার হয়েছে। ফেরিতে গাদাগাদি করে করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে এসব যাত্রীরা ফিরছে কর্মস্থলে। আজ সোমবার ১৫তম দিনেও শত শত ঢাকামুখী নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুট দিয়ে কর্মস্থল ঢাকা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে ফিরেছে।

সকালে সরজমিনে শিমুলিয়া ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ফেরিতে করে আসছে লোক আর লোক। ফেরিগুলোতে গুটি কয়েক গাড়ির সাথে শত শত লোক আসছে শিমুলিয়া ঘাটে। এখানে এসে ফেরি থেকে নামতে এক অপরের শরীরের ওপর দিতে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় লেগে যাচ্ছে যাত্রীসাধারণ। তাদের মধ্যে করোনার তেমন কোনো ভয় দেখা যায়নি। ফেরি থেকে নেমেই কার আগে কে যানবাহনে উঠবে এ নিয়ে ছুটাছুটি করেছে লোকজন। বাস না থাকায় প্রতিদিনকার মতো আটো, সিএনজি, টেম্পো, ইয়েলোক্যাব, নসিমন, করিমন, উবারের অফলাইনের মোটরসাইকেল ও গাড়িতে করে ভেঙে ভেঙে তারা গন্তব্যে ফিরছে। এতে তাদেরতে কয়েকগুন বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

মাওয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সিরাজুল কবির জানিয়েছেন, কোথা থেকে প্রতিদিন শত শত লোক আসছে তা বোধগম্য নয়। সবই ঢাকামুখী যাত্রী। সরকার গার্মেন্টের পর মার্কেট খুলে দেবার ঘোষণা দিলে নানা শ্রেণি-পেশার শত শত লোক গত কয়েকদিন যাবৎ ঢাকা ও তার আশপাশের জেলাগুলোতে ছুটছে। ফেরিতে গাদাগাদি করে এরা শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। কারো শরীরে করোনা থাকলে তা সংক্রামিত হবার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। সরকার সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা বললেও এখানে তা পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি লঞ্চ মালিকগণ দাবি করেছে তাদের লঞ্চ যাত্রী পারাপরের জন্য খুলে দিতে। মোশারফ হোসেন নসু নামে এক লঞ্চ মালিক কালের কণ্ঠে নিউজ দেখে ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বলেছে, তাহলে আমদের দোষ কি? ফেরিতে যদি এভালে লোক পার হয়, তবে আমাদেরকেও লঞ্চে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হোক। তাতে গাদাগাদি কম হবে, করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা কম থাকবে।

বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাটস্থ এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন. ১২টি ফেরি চলাচল করছে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌ-রুটে। আজও শত শত ঢাকমুখী যাত্রী পার হয়েছে ফেরিতে করে।

নিউজ বার্তা কক্ষ.