৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  দুপুর ২:২২  ২রা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২০শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

ঘূর্নিঝড় আম্পানের তান্ডবে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, ৯জনের মৃত্যু

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। জলোচ্ছ্বাসে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে নিুাঞ্চল। ভেঙে গেছে অসংখ্য কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা, রাস্তাঘাট। ডুবে গেছে মাছের ঘের ও ফসলি জমি। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উপকূলীয় জেলাগুলো। এদিকে, ঝড়ের তান্ডবে ৬ জেলায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মারা গেছে আরো ১৪ জন।

সুপার সাইক্লোন আম্পানের ১১ ঘণ্টার তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে উপকূলীয় জেলাগুলো। বিদ্ধস্তহয়েছে অসংখ্য ঘর বাড়ি, গাছপালা। নষ্ট হয়েছে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল ও মাছের ঘের।

সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগর, আশাশুনি ও সদরে ডুবে গেছে মাছের ঘের ও ফসলি জমি। বেঁড়িবাধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকা। খুলনার কয়রা, দাকোপ ও পাইকগাছা এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়রায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে কয়েকটি ইউনিয়ন। বাগেরহাটের সবকটি উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ভারি বৃষ্টি ও জোয়ারে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল।

এছাড়া, বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে বরগুনা শহর, ভোলা এবং পটুয়াখালীর বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে পড়েছে অনেক কাঁচা ঘর, গাছপালা। গতকাল থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এসব অঞ্চল।

জোয়ারের পানিতে নোয়াখালীর হাতিয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া ঝালকাঠি, বরিশাল, কক্সবাজার, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রাজশাহী এলাকায় নষ্ট হয়েছে অনেকগুলো আম বাগান।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে সাতক্ষীরায় একজন, যশোরে ২ জন, ভোলায় ২ জন, পটুয়াখালীতে ২জন, পিরোজপুরে ১ জন এবং চট্টগ্রামের সন্দীপে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, সুপার সাইক্লোন আম্পানের তান্ডবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রাণ গেছে ১৪ জনের।ৎ

নিজস্ব প্রতিনিধি: