১৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  রাত ৪:০৭  ১৩ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
১লা নভেম্বর, ২০২০ ইং

যেভাবে স্কুল শিক্ষক থেকে চারবারের এমপি এমএ মতিন

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি) আসনের সাবেক সাংসদ ও উপজেলা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, শিক্ষানুরাগী এম এ মতিন আর বেঁচে নেই (ইন্না লিল্লাহী….. রাজেউন)। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯.০৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরন করেন।

ওনার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের জন্য সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এম এ মতিন পেশায় ছিলেন একজন স্কুল শিক্ষক। এর পাশাপাশি তিনি রাজনীতি শুরু করেন। দল মত নির্বিশেষে সবার কাছে এমএ মতিন স্যার নামে পরিচিত ছিলেন। তার রাজনীতি শুরু হয় ভোটে জনপ্রতিনিধি হওয়ার মধ্য দিয়ে। প্রথমে তিনি হাজিগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তারপর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

এরই ধারাবাহিকতায় তিনি চাঁদপুর ৫ হাজীগঞ্জ -শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি থেকে চার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। প্রথমে ১৯৭৯, ১৯৯১,১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন, ২০০১ সালে বিএনপির ধানের শীষ নিয়ে সাংসদ নির্বাচিত হন।

এছাড়াও তিনি ব্যক্তিগত জীবনে হাজিগঞ্জ পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন। তার পিতা মরহুম জুনাব আলী পাকিস্তানের এমএলএ সদস্য ছিলেন। হাজিগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের টোরাগড় মুন্সি বাড়ির ঐতিহ্যবাহী পরিবারে তার জন্ম।

বার্তা কক্ষ: