৯ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  রাত ৮:২১  ৭ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২৫শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদগঞ্জের ২জন সহ জেলায় ১৫ জনের করোনা শনাক্ত

নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় চাঁদপুর জেলায় আর ও ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ফরিগঞ্জের ২ জন রয়েছেন। বাকীরা অন্যান্য উপজেলার।

এ নিয়ে চাঁদপুর জেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২১০ জন। এরমধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬জন।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে চাঁদপুর বক্ষব্যাধি (যক্ষ্মা) ক্লিনিকের ল্যাব টেকনোলজিস্ট (৫৩) ও হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাড়ি চালক (৫৩) রয়েছেন। এর মধ্যে টিভি ক্লিনিকের ল্যাব টেকনিশিয়ান সদর উপজেলায় করোনা টেস্টের জন্য নমুনা (স্যাম্পল) সংগ্রহ করতেন।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে এছাড়া চাঁদপুর শহরের আলিমপাড়ার ১ যুবক (৩২)ও রয়েছেন।

সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সূত্র জানায়, আজ ৬৩জনের রিপোর্ট এসেছে। ১৫জনের রিপোর্ট করোনা পজেটিভ। এর মধ্যে কচুয়ার একজন মৃত।

জেলায় মোট ১৬জন মৃতের উপজেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান হলো : চাঁদপুর সদরে ৫জন, ফরিদগঞ্জে ৪জন, কচুয়ায় ৩জন, হাজীগঞ্জে ২জন, শাহরাস্তিতে ১জন ও মতলব উত্তরে ২জন।

এদিকে করোনার হটস্পট চাঁদপুর শহরে ব্যাপক হারে বাড়ছে বিভিন্ন যানবাহন ও মানুষের উপস্থিতি।

খোলা হয়েছে বিভিন্ন ব্যববসা প্রতিষ্ঠান। এতে করে করোনা সংক্রমণে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে চাঁদপুর জেলা শহর। বাংলাদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় ঘোষিত ১ জুন থেকে সবকিছু সীমিত আকারে বহাল রাখার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে দেখা গেছে ৩১ মে থেকেই সবস্থানেই সবকিছু বহাল করে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

চাঁদপুর শহরের সরজমিনে দেখা গেছে শহরের বিভিন্নস্থানে ব্যাপক হারে বাড়ছে যানবাহন ও মানুষের উপস্থিতি। খোলা হয়েছে বিভিন্ন দোকান, পাট ও বিভিন্ন প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান। শহরের বাস্তব চিত্র দেখলে মনে হয় দেশে কোন প্রকার মহামারী নেই।

করোনা ভাইরাসের প্রভাব কেটে গিয়ে সবকিছু যেনো আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে গেছে। তাই স্বাভাবিক সময়ের মতোই শহরের চলছে যানবাহন এবং মানুষের উপস্থিতি। অনেক লোকজনকে মাস্ক ছাড়াও চলাফেরা করতে দেখা যায়।