৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  দুপুর ২:০১  ৩রা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

ফরিদগঞ্জে করােনা মােকাবিলায় পুষ্টিকর শিশুখাদ্যের জন্য বরাদ্ধ ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা

আব্দুস সালাম :

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া দুঃস্থ ও হতদরিদ্র অভিভাবকদের ছোট ছোট শিশুদের পুষ্টি নিশ্চয়তার লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ তথ্যমতে গত ৪ জুলাই পর্যন্ত ৬ লাখ টাকার শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়েছে। মজুদ রয়েছে ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনাকালীন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার শিশুখাদ্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী হরির সমন্বয়ে ৬ লাখ টাকার শিশুখাদ্য ১৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে শিশুদের অভিভাবকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার জন্যে এই খাতে কোনো বরাদ্দ না থাকলেও ৮৯ জন শিশুকে উক্ত বরাদ্দ থেকে খাদ্য বিতরণ করা হয়। শিশুখাদ্যের মধ্যে রয়েছে দুধের প্যাকেট, সুজি ও চিনি।

উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় এ পর্যন্ত ১৯৬৪ জন শিশুর মাঝে শিশুখাদ্য বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে ৪৫ হাজার ৩শ’ ২৬ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকার খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়ে গেছে। প্রতিটি ইউনিয়নে ১২৫ জন করে মোট ১৯৬৪ শিশুর মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

শিশুদের জন্য আলাদাভাবে সরকার খাদ্যসমাগ্রী বরাদ্দ করেছে তথ্যটি অনেকের কাছেই অজানা। খাদ্য সামগ্রীগুলো কীভাবে বিতরণ করা হয়েছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে গিয়ে সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে কিনা-এ রকম সংশয় আর সন্দেহ রয়েছে অনেকের মাঝে। গ্রাম পর্যায়ে অধিকাংশ উপযুক্ত ব্যক্তিই শিশু খাদ্য পায়নি। যদিও বাংলাদেশের অনেক উপজেলায়ই সংসদ সদস্য অথবা দলীয় নেতা-কর্মীদের নেতৃত্বে ‘শিশুদের আদর্শ বাড়তি খাবার’ নামে একটি কর্মসূচি চালু করা হয়েছে সেই এপ্রিল মাস থেকেই। কিন্তু ফরিদগঞ্জে বরাদ্দ আসলেও অথবা নিজ খরচে কেউই শিশুদের নিয়ে ঐভাবে চিন্তা করেনি।

এ বিষয়ে ১১নং চরদুঃখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ কামাল হোসেন বলেন, ‘উপজেলা থেকে কয়েক ধাপে সরকারি বরাদ্দ এসেছে। আমরা সব বরাদ্দই সঠিকভাবে বন্টন করেছি। শিশুদের জন্যেও দুধের প্যাকেট এসেছে। আমরা তা বিতরণ করেছি।’