৭ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  রাত ২:০৭  ৪ঠা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২৩শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

ফরিদগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট

মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় এক মুক্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাংচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগি সূত্রে জানাযায়, উপজেলার কড়ৈতলী গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলমের সাথে প্রতিবেশী হান্নান, মান্নান ও কুদ্দুসের সাথে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারই জের ধরে শুক্রবার সকালে হান্নান, মান্নান ও কুদ্দুস এর নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলমের বাড়িতে ঢুকে প্রথমে ঘরে মূলবান জিনিসপত্র লুট করে, পরে মুত্তিযোদ্ধার বসতঘর ভাংচুর করে পাশ্ববর্তী পুকুর পেলে দেয় এবং ঘরের কিছু অংশ মান্নানের ঘরের সামনে রেখে দেয়।

ক্ষতিগ্রস্থ মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম জানান, আমার প্রতিবেশী হান্নান, মান্নান ও কুদ্দুস এর সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তারই জের ধরে তাদের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল আমার বাড়িতে ঢুকে আতংক সৃষ্টি করে আমার বাড়ির দোচালা টিনের বসত ঘরে প্রবেশ করে ঘরের মূল্যবান জিনিস পত্র নিয়ে ঘরটি ভেঙ্গে নিয়ে পাশের পুকুরে পেলে দেয় এবং ঘরের বাকী অংশ মান্নানের ঘরের সামনে রেখে দেয়। উক্ত ঘটনার সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

জানাযায়, ইতোপূর্বে হান্নান, মান্নান ও কুদ্দুস গংরা দীর্ঘদিন মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলমের পরিবারের উপর কারনে অকারনে নির্যাতন করায় খোরশেদ আলম ফরিদগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১০ জুলাই এ এস আই হেলাল উদ্দিন ও স্থানীয় শালীশগনের উপস্থিতিতে হান্নান গংরা মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলমের পরিবারের উপর আর কখনও নির্যাতন করবে না বলে মুসলেকা দেয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মান্নানকে একাধিক বার তার মোবাইল ফোনে কল করলে ও মান্নান ফোন রিসিভ করেনি। তাই তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার এ এস আই হেলাল উদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাটি শুনে সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।