৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  দুপুর ২:৫৬  ৪ঠা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২২শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

কাউন্সিলর খলিলুর রহমানের দৃষ্টি এখন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন

বিশেষ প্রতিবেদন :

ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজসেবক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মো. খলিলুর রহমান। তিনি ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্ব›দ্বীতা করে জয়লাভ করেন। নির্বাচিত হওয়ার পর পৌর পরিষদের প্রথম সভায় তাকে প্যানেল মেয়র-১ হিসাবে নির্বাচিত করা হয়।

কাউন্সিলর হিসাবে দায়িত্ব পালনে সফলতার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল আউয়ালের সন্তান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা খলিলুর রহমানের দৃষ্টি এখন ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন। এ পদে প্রতিদ্ব›দ্বীতার জন্য আঁটঘাট বেধে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি মেয়র পদে প্রার্থীতার বিষয়টি জানান দিচ্ছেন। প্রত্যাশা করছেন সকলের দোয়া ও সমর্থন।

স্থানীয়রা জানান, কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই পৌরসভার জনগণের স্বার্থে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেন আওয়ামী পরিবারের সন্তান মো. খলিলুর রহমান। বিশেষ করে পৌরসভার জনগণের স্বার্থে দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে খলিলুর রহমানের প্রতিবাদী ভূমিকা সকলের প্রশংসা কুড়ায়।

এছাড়া, তিনি তার নির্বাচিত এলাকা ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের পাশাপাশি সমগ্র পৌরসভার উন্নয়নে সচেষ্ট ছিলেন। গরীব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে তিনি ও তার পরিবার সব সময় পাশে থেকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

দলীয় কর্মকান্ডেও রয়েছে খলিলুর রহমানের সক্রিয় অংশগ্রহণ। সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিতের লক্ষে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা এলাকায় তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন।

জানা যায়, ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে অর্থ ও শ্রম দিয়ে দলের জন্য যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম, স্বনামধন্য ব্যবসায়ী হাজী আউয়াল সুইটস এর মালিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল আউয়ালের পরিবার। ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগের জন্য নিবেদিত এ পরিবারটির সদস্যরা দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মী সহ সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দলীয় কার্যক্রমে রয়েছে তাদের পৃষ্টপোষকতা। মুক্তিযোদ্ধা হাজী আব্দুল আউয়াল ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা কোষাধক্ষ্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য। তাঁর সেজো ছেলে অব্দুল মমিন ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ছিলেন। মেঝো ছেলে প্রবাসী মো. শরীফ আওয়ামী লীগের গ্রীস শাখার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। ছেলে হারুনুর রশিদ ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হাজী বিল্লাল হোসেন উপজেলা যুবলীগের আহŸায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ছিলেন। মোটকথা সমগ্র পরিবারটি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক রাজনীতির সাথে অঙ্গা অঙ্গিভাবে জড়িত।

হাজী আব্দুল আউয়ালের সন্তান মেয়র পদ প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান ফরিদগঞ্জ পৌরসভা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাফুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ সভাপতি ও চরহোগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সদস্য। এছাড়াও তিনি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মেয়র পদে প্রার্থীতার বিষয়ে এ প্রতিনিধিকে খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমাদের পরিবার আওয়ামী পরিবার। আমাদের রক্তে মিশে আছে আওয়ামী লীগের রাজনীতি। আমার বাবা থেকে শুরু করে ভাইয়েরা সবাই এ দলের রাজনীতির সাথে জড়িত। আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে আগামী পৌরসভা নির্বাচনে আমি নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভা থেকে প্রাপ্ত সকল উন্নয়ন কাজ সঠিকভাবে করার জন্য চেষ্টা করেছি। সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি। জনগণের পাশে থেকে কাজ করেছি। পৌরবাসীর দোয়া ও সমর্থন নিয়ে আগামী দিনে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।’