৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  দুপুর ১২:৫৫  ৩রা রবিউল-আউয়াল, ১৪৪২ হিজরী
২১শে অক্টোবর, ২০২০ ইং

মোস্তাফিজকে কী আর্থিক ক্ষতিপূরন দিবে বিসিবি ?

নিজস্ব প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শ্রীলংকা সফর স্থগিত হওয়ায় সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে বাঁ হাতি পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমানের। চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের মধ্যে একমাত্র মোস্তাফিজুর রহমানেরই খেলার সম্ভাবনা ছিল।

ইংল্যান্ড পেস বোলার হেনরি গার্নি সোলডার ইনজুরিতে পড়ায় আইপিএল থেকে ছিটকে পড়েছেন। এ খবর নিশ্চিত হওয়ার পর কোলকাতা নাইট রাইডার্স ( কেকেআর) এই ৩৩ বছর বয়সী বাঁ হাতি পেস বোলারের স্থলে বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমানকে পেতে চেয়েছিল।

মোস্তাফিজকে পেতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ( বিসিবি) কাছে অনাপত্তিপত্রও চেয়েছিল কে কে আর। তবে ৩ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে শ্রীলংকা সফরে বাংলাদেশ দল যাবে বলে দলের ট্রাম্প কার্ড মোস্তাফিজকে অনাপত্তিপত্র দেয়নি বিসিবি। ফলে মোস্তাফিজের আশা ছেড়ে দিয়ে যুক্তরাস্ট্রের পেস বোলার আলী খানকে হেনরী গার্নির রিপ্লেশমেন্ট হিসেবে নিয়েছে কে কে আর। হেনরি গার্নি বেজ প্রাইস ৭৫ লাখ রূপীতে বিক্রি হয়েছিলেন। আইপিএলে খেলতে না পারায় সেই পরিমান অর্থ হাতছাড়া হয়েছে মোস্তাফিজের।

এর আগেও একবার বিসিবি পাকিস্তানের ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে মোস্তাফিজকে অনাপত্তিপত্র দেয়নি। ২০১৬ সালের পিএসএলে লাহোর কালান্দার্সে গোল্ড ক্যাটাগরীতে ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে বিক্রি হওয়ার পর মোস্তাফিজকে সেবার সেই আসরে খেলার অনাপত্তিপত্র দেয়নি তাকে ইনজুরি ঝুঁকিমুক্ত রাখতে। লাহোর কালান্দার্সে বিক্রি হওয়ার পরও মোস্তাফিজকে খেলতে অনাপত্তিপত্র না দেয়ায় মোস্তাফিজকে অবশ্য ৩০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরন দিয়েছে বিসিবি। প্রশ্ন হচ্ছে এবার আইপিএলে শাহরুখ খানের দল কে কে আর এ খেলতে না দেয়ায় মোস্তাফিজকে কী ৭৫ লাখ রূপীর সমপরিমান ক্ষতিপূরন দিবে বিসিবি ?

বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান অবশ্য এমন সম্ভাবনা ক্ষীন দেখছেন। ক্রিকবাজকে জানিয়েছেন তিনি এ তথ্য- ‘তখন তার ইনজুরির শঙ্কা নিয়ে ভাবনা ছিল বলে আমরা তাকে পিএসএলে খেলতে অনুমতি দেইনি। তাই তাকে আমরা ক্ষতিপূরন দিয়েছি। এবারের প্রেক্ষাপটটা আলাদা। সেবার তাকে পিএসএলের একটি দল নিয়েছিল। এবার আইপিএলে তার ব্যাপারে কথা চলছিল প্রাথমিক পর্যায়ে। সত্যটা হলো, তাকে কোন দল নেয়নি। আমরা জাতীয় দলের স্বার্থে তাকে এনওসি (অনাপত্তিপত্র ) দেইনি। তাই তাকে ক্ষতিপূরন দেয়ার সম্ভাবনা ক্ষীন।