১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  দুপুর ১:২৭  ১৩ই রবিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
২৯শে নভেম্বর, ২০২০ ইং

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান কামরুল আহসান অতিরিক্ত আইজিপি

বার্তা কক্ষ:

চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের প্রধান মো. কামরুল আহসান বিপিএম (বার) কে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি সিলেট রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৯ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ অধিশাখা-১ এর উপ-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতির এই আদেশ দেওয়া হয়। মো. কামরুল আহসান বিপিএম (বার) ১৯৬৬ সালে মতলব উত্তর উপজেলার উত্তর ইমামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং ঢাকার সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে (এমবিএ) স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

তিনি ১৯৯১ সালে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে যোগদান করেন। মৌলিক ও বাস্তব প্রশিক্ষণ শেষে খাগড়াছড়ি জেলার সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়িত হওয়ার পর যথাক্রমে তিনি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী সার্কেল এএসপি, এএসপি ডিএসবি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি, ফেনী জেলার অ্যাডিশনাল এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

কামরুল আহসান শরীয়তপুর, চট্টগ্রাম ও যশোর জেলার পুলিশ সুপার, পুলিশ সদর দপ্তরের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (সংস্থাপন) ও অ্যাডিশনাল ডিআইজি (ট্রেনিং) এবং রেলওয়ে রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি সর্বশেষ ২০১৬ সালে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১৪ সালে তিনি সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।

চাকরির শুরুতে রাজশাহীর সারদাতে অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণের পাঠ্যক্রমে (একাডেমিক) শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় ‘আইজিপি শিল্ড’ অর্জন করেন।

বাংলাদেশ পুলিশে অসাধারণ ও দৃষ্টান্তমূলক চাকরির স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি দুবার আইজি ব্যাজ অর্জন করেন। মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, আমেরিকা ও ইতালিতে বিবিধ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তিনি বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বের অংশ হিসেবে থাইল্যান্ড, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, মিশর, গায়ানা, গাম্বিয়া, তুরস্ক, বাহরাইন, সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বনামধন্য পুলিশ কর্মকর্তা মো. কামরুল আহসান জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনের ‘পুলিশ এডভাইজার’ হিসাবে সিয়েরালিওন ও সুদানে দায়িত্ব পালন করেন। সুদান মিশনের কনটিনজেন্ট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালনের গৌরবের পাশাপাশি তিনি মিশনসমূহে দৃষ্টান্তমূলক চাকরির স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক’ লাভ করেন। (প্রবাহ)