১৩ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  রাত ২:৪৮  ১২ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
২৭শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং

কাউন্সিলর মজিবুর রহমানের দৃষ্টি এখন পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্যে মো. মজিবুর রহমান পাটওয়ারীর নজর এখন পৌরসভার মেয়র পদে বিজয়ী হওয়া। সে লক্ষে তিনি প্রচার- প্রচারনা শুরু করে দিয়েছেন।

প্রতিদিনই তিনি কোন না কোন সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন এবং গণসংযোগ করে সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়ার বিশ্বস্ত সহচর কাউন্সিলর মো. মজিবুর রহমান। তিনি ফরিদগঞ্জ পৌরসভার চরকুমিরা গ্রামের পাটওয়ারী বাড়ির মৃত আব্দুস ছাত্তার পাটওয়ারীর সুযোগ্য সন্তান।

মজিবুর রহমান পাটওয়ারী, ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯৭- ২০০৩ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও সাধারন সম্পাদক এবং ২০০৫ সালে জেলা ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি পৌর আ’লীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে সফলতার সহিত দায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনীতির বাহিরেও তিনি উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সাবেক সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, বর্তমানে তিনি হলি চাইল্ড একাডেমির সভাপতি, চরকুমিরা খাতুনে জান্নাত মহিলা মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

মজিবুর রহমান, ২০০১ সালে বিএনপির মামলা- হামলা ও পুলিশের হয়রানিতে এলাকা ছাড়া হয়েছেন, ঠিক তখনি বিএনপির লোকেরা রাতের আঁধারে ডাকাতিয়া নদী সংলগ্ন মাছে ঘেরের বাদ কেঁটে দিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় একাধিকবার হামলা মামলার স্বীকার হয়েছেন।

মেয়র পদে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন কাউন্সিলর হিসেবে বরাদ্ধকম থাকায় জনগণকে আশানুরুপ সেবা দিতে পারছি না। জনপ্রতিনিধি হিসেবে এখন মাত্র সীমাবদ্ধ সংখ্যক জনগণের সেবা করার সুযোগ পাচ্ছি। যদি মেয়র হতে পারি তাহলে বৃহত সংখ্যক মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবো।’

দলীয় মনোনয়ন সর্ম্পকে তিনি বলেন, ‘আমি একজন আওয়ামী পরিবারের সন্তান। সাবেক সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়ার নির্দেশে তৃণমূল থেকে আওয়ামী লীগকে সু-সংগঠিত করেছি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয়ের জন্যে রাজনীতির মাঠে নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছি। এছাড়া গত ২০ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইবো। আমার বিশ্বাস আমার অতীত দলীয় কর্মকান্ড দেখে মেয়র পদে দল আমাকে মূল্যায়ন করবে।’

জনসাধারণের কাছে দোয়া ও সমর্থন চেয়ে তিনি আরো বলেন, ‘দেশ ও জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে যিনি কাজ করেন তিনি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলা নির্মানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। আমি ফরিদগঞ্জ পৌরবাসীর সমর্থন নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর একজন সৈনিক হিসেবে কাজ করে যেতে চাই। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার ভূমিকা কি? সে বিষয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার জনগনের ভালো ধারণা রয়েছে। সকলের দোয়া ও সমর্থন নিয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। ’