৫ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ  দুপুর ২:৪২  ৫ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী
১৯শে জানুয়ারি, ২০২১ ইং

ফরিদগঞ্জে ফুটপাতে জমে উঠেছে শীতের গরম কাপড়ের কেনাকাটা

ক্যাপশন. ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে ফুটপাতের দোকান থেকে শীতবস্ত্র ক্রয় করছেন নি¤œ আয়ের মানুষেরা। ছবি. গাজী মমিন

গাজী মমিন, ফরিদগঞ্জ:
শীতের শুরুতেই ফরিদগঞ্জ উপজেলা সদরে ফুটপাত গুলোতে জমে উঠেছে শীতের গরম কাপড়ের কেনাকাটা। আর কম মূল্যে কাপড় কেনার জন্য লোকজন ভিড় করছে ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন জায়গার ছোট, বড় সব ফুটপাত গুলোতে।


পুরো উপজেলা সদরজুড়ে বিভিন্ন স্থানে দোকানগুলো পসরা সাজিয়ে বসেছে শীতবস্ত্রের। পাশাপাশি গরম কাপড় কেনাকাটায় জমে উঠেছে ফুটপাতের দোকানগুলো। এছাড়া ভ্যানে করে কাপড়ের দেখা মিলছে উপজেলার গ্রাম গুলোতে।


সেখানে ক্রেতারা তাদের সাধ্যমতো কম মূল্যের শীতবস্ত্র কিনতে শুরু করেছে। তবে বেশিরভাগ নিম্ন ও নিম্নমধ্য আয়ের মানুষের ভিড় বাড়ছে ফুটপাতের দোকান গুলোতে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়-শিশু, নারী, পুরুষসহ সব বয়সের মানুষের শীতের পোশাক রয়েছে এই দোকান গুলোতে। কোর্ট, জ্যাকেট, লংকোর্ট, উলের কোর্ট, শর্টকোর্ট, শর্ট জ্যাকেটসহ সব ধরনের পোশাকই পাওয়া যাচ্ছে।


ক্রেতা সহিদা খাতুন বলেন, শীত সবে শুরু হয়েছে এখন পর্যন্ত তীব্র শীত পড়েনি। এখনি কাপড়ের যে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে শীত বাড়লে নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে ফুটপাতের গরম কাপড়।


ফুটপাতের দোকানদাররা বলেন, গত শীতে যে মূল্যে মানুষ গরম কাপড় কিনেছে তা এবার পাবে না। কারণ, গতবারের চেয়ে এবার গরম কাপড়ের ১০ হাজার টাকার বেল্ট ১৪ হাজার টাকা নিচ্ছে। অর্থাৎ বেল্ট প্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা মূল্য বেশি ধরছে পাইকাররা।

তারা বলেন, এখনো তেমন একটা শীত পড়েনি। তারপরও বিক্রি ভালোই হচ্ছে। তবে মুকামে দাম বেশির কারণে আমরাও ক্রেতাদের নিকট দাম একটু বেশি ধরছি। তবে শীত বাড়ার সাথে সাথে গরম কাপড়ের মূল্য বাড়বে বলে তাদের ধারণা। মূল্য যাইহোক না কেন দোকানের চেয়ে ফুটপাতে অনেক কমমূল্যে গরম কাপড় পাওয়া যায়। আর শীতর তীব্রতা বেড়ে গেলে আরো ভিড় হবে বলে আশা করেন ফুটপাতের বিক্রেতারা।