৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  দুপুর ২:২২  ৩রা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী
১৪ই জুন, ২০২১ ইং

ফরিদগঞ্জ পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী শেলী

নিজস্ব প্রতিবেদক :ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাএলীগের সাবেক নেত্রী সেলিনা আক্তার শেলী।

৮ জানুয়ারী শুক্রবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩/এ আওয়ামী লীগের দলীয় সভানেত্রীর কার্যলয় থেকে এ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তিনি।

এ সময় তার সাথে ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হারিস হাসান সাগর সহ দলীয় নেতাকর্মীরা।দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর সেলিনা আক্তার শেলী মুঠফোনে এ প্রতিনিধির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন ও ফরিদগঞ্জ পৌরবাসীসহ সকলের কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।

জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি পাশ শেলী ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ২য় অবস্থানে ছিলেন।

এবার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য দলীয় মনোনয়ণ সংগ্রহ করলেন তিনি।নব্বই দশকে ফরিদগঞ্জের তুখড় ছাত্রলীগ নেত্রী সেলিনা আক্তার শেলীর পৌরসভার মেয়র পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে জয় লাভ করবেন তিনি-এমন প্রত্যাশা তার কর্মী সমর্থখদের।ছাত্রনেতৃত্ব প্রদানকালে প্রতিবাদী কন্ঠ ও সাহসীকতার জন্য সর্বমহলে শেলী সু-পরিচিতি অর্জন করেন। বিশেষ করে তার অতীত রাজনৈতিক কর্মকান্ডে সামনে থেকে নেতৃত্ব প্রদানের যোগ্যতা, সততা ও শিক্ষা এই তিনটি বিষয় পৌরসভার ভোটারদের বিবেচনায় বেশ এগিয়ে রাখছে তাকে। প্রধামন্ত্রীর কাছে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে সেলিনা আক্তার শেলী বলেন, ‘৯০ দশকে দলের দুঃসময়ে আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি।

সরকারি দলের নির্যাতন, নিপিড়নের শিকার হয়েছি। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলের প্রয়োজনে যখন কাজ করেছি তখন কোন কিছু প্রত্যাশা করিনি। তবে দল গত একযুগ টানা ক্ষমতায় থাকলেও দলীয় পদ-পদবী থেকে শুরু করে সকল ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে আমি বঞ্চিত-অবহেলিত। দলের জন্য পরিশ্রম করেও মূল্যায়িত হয়নি। আমার অতীত রাজনৈতিক কর্মকান্ড মূল্যায়ন করে আমাকে নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

’জানা যায়, ফরিদগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজে ১৯৯২-১৯৯৬ সাল ও পরবর্তী ২০০২ সাল পর্যন্ত তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তার স্বামী প্রয়াত আ.স.ম ফয়সল ছিলেন একজন ত্যাগি ছাত্রলীগ নেতা। ১৯৯২ সালে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগ নেতা আ.স.ম ফয়সল বিএনপির হামলার শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। তৎকালীন বিরোধী দলীয়নেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফয়সলকে দেখতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপতালে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সেলির স্বামী ফয়সল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। শেলীর শ্বশুড় মো. ছালেহ ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।