৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  দুপুর ২:৫৪  ৩রা জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী
১৪ই জুন, ২০২১ ইং

ফরিদগঞ্জে দায়সারা আয়োজনে প্রানী সম্পদ মেলা ! মেলার মূল আকর্ষনই ছিল ২টি উট পাখি ও ১টি ঘোড়া

এমকে মানিক পাঠান:

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় গতকাল শনিবার উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রানী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রানী সম্পদ প্রদর্শনী মেলার প্রধান আকর্ষন ছিলো দুটি উট পাখি ও একটি ঘোড়া। উক্ত মেলা সম্পাদন করতে সরকারী ভাবে আড়াই লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও দায়সারা গোচের আয়োজনে উক্ত মেলায় কাংক্ষিত দর্শকদের উপস্থিতি দেখা যায় নি।

তবে প্রানী সম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা জ্যোতিময় বলেন, মেলার খরচের জন্য আড়াই লাখ নয় । মেলার জন্য সরকারী ভাবে দেড়লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। মূলত বৈরী আবহাওয়ার কারনে উক্ত মেলায় দর্শকদের উপস্থিতি ছিল কম।
৬ জুন প্রানী মেলায় ঘুরে দেখা যায়, ষ্টল রয়েছে ৩১ টি। বিভিন্ন ষ্টুলে হাতে গোনা কয়টি গরু ছাগল, হাঁস মুরগী খরগোশ সহ বিভিন্ন প্রানী থাকলে মেলাটির মূল আকর্ষন ছিল দুটি মূল্যবান উট পাখি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাজ¦ী মোজাম্মেলের সখের বশে পালিত একটি কালো রং এর ঘোড়া। মেলায় আগত কিছু দর্শক বিশেষ করে উটপাখি ও ঘোড়ার ছবি তোলা নিয়ে ব্যস্থ ছিলেন।
মেলায় আগত দর্শক তছলিম ভেন্ডার সহ কয়জন তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দায়সারা গোচের আয়োজনে মেলায় হাতে গোনা কয়টি প্রানী ছাড়া কাংক্ষিত প্রানীর সমাগম নেই। দর্শকদের উপস্থিতিও করতে ব্যর্থ হয়েছে প্রানী সম্পদ দপ্তর।

মেলায় আনা দুটি উটপাখির মালিক এ উপজেলার চান্দ্রা এলাকার জহিরুল ইসলাম বলেন, তিনি সখের বশে উটপাখি লালন পালন করছেন। রয়েছে তার উটপাখির খামারও । মেলায় আনা প্রতিটি উটপাখির ওজন হবে প্রায় ৭/৮ কেজি। প্রতিটি উট পাখির বর্তমান বাজার মূল্যে প্রায় ২ লাখ টাকা বলে দাবী করছেন । সৌখিন ভোজন বিলাসীরাই এই উটপাখির মাংস খেতে পছন্দ করেন বলে জানিয়েছে ওই দুটি উটপাখির মালিক জহির।

এই মেলার আয়োজন নিয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা প্রানী সম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তা জ্যোতিময় বলেন, মূলত বৈরী আবহাওয়ার কারনে আজকের প্রানী সম্পদ মেলায় দর্শকদের উপস্থিতি ছিল কম। এখানে দায়সারা গোচের কোন আয়োজন করা হয়নি বলে ওই কর্মকর্তা দাবি করছেন।