১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ  সকাল ৮:৪৮  ২২শে রবিউস-সানি, ১৪৪৩ হিজরী
২৮শে নভেম্বর, ২০২১ ইং

ফরিদগঞ্জে কোরবানীর বাজারের জন্য প্রস্তুত সেন্টুর বিভিন্ন জাতের ষাঁড়

নিজস্ব প্রতিনিধি:

কেউবা দারিদ্র বিমোচনের জন্য আবার কেউ বা বেকরত্ব ঘুঁচিয়ে স্বাবলম্ভি হতে খামার গড়ে তুলেন, আবার কেউ বা খামার করেন নিতান্তই সখের বসে। কিন্তু সে সখের খামার হয়ে উঠে অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত তেমনই উজ্জল সম্ভবনাময় ইউটিউব ও বিভিন্ন খামার পরিদর্শন করে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার প্রবাসী মো. সেন্টু। আর সেই খামারের ষাঁড় গুলো এবারে কোরবানী ঈদের বাজরের জন্য প্রস্তুত করছে খামারি সেন্টু।

কুয়েত প্রবাসী মো. সেন্টুর বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা ইউনিয়ের সানকিসাইর গ্রামে। বাড়ির পাশে পাটওয়ারী বাজার সংলগ্ন নিজস্ব জমিতে গরুর খামারটি গড়ে তুলেছেন তিনি। সেন্টুর গরুর খামারে বেশ কিছু বেকারের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। নিজ এলাকায় স্থানীয় ভাবে সবচেয়ে বড় গরুর খামার করে প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মো. সেন্টু।

তার খামারে বর্তমানে রয়েছে সব মিলিয়ে প্রায় ৫৭ টি গরু। তার মধ্যে ৩০টি ষাঁড় রয়েছে যাহা শুধু মাত্র কোরবানীর ঈদে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হচ্ছে। যার সম্ভাব্য বাজার দর হিসাবে লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

মো. সেন্টুর গরুর খামার এলাকায় ব্যাপক পরিচিত লাভ করায় খামারটি পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার লোকজন। তার গরুর খামার দেখে ভুয়সী প্রশংসা করেছেন, তাছাড়া অনেকে গরুর খামার করতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

কুয়েত প্রবাসী মো. সেন্টু জানান, অনেক আগ থেকেই তার ইচ্ছা ছিল বড় আকারের একটি গরুর খামার করার, সেই পরিকল্পনা থেকেই ইউটিউব ও বিভিন্ন খামার পরিদর্শন করে গরু পালনের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে খামারটি তৈরী করেছেন তিনি। বাজারের কোন প্রকার ঔষধ ব্যবহার করা ছাড়া খড়,ভুসি ঘাস খাবার দিয়ে প্রাকৃতিক পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পরিচালিত এ খামারে বর্তমানে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৫৭ টি গরু রয়েছে। আসন্ন কোরবানি ঈদেই তার গরু গুলি বিক্রি করা হবে। কর্মপরিকল্পনায় উদ্যোগী মো. সেন্টু আরো জানান, ভবিষ্যৎ একটি বড় আকারের ডেইরী খামার করার ইচ্ছে তার রয়েছে।