১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ  রাত ২:৩০  ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৪ হিজরি
৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই: শেখ ফরিদ আহাম্মেদ মানিক

নিজস্ব প্রতিনিধি:
তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে উপজেলার সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের শোল্লা এ আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি শরীফ মোহাম্মদ ইউনুসের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক মজিবুর রহমান দুলাল ও পৌর বিএনপির সভাপতি আমানত গাজীর যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহাম্মেদ মানিক।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক আলহাজ্ব এম এ হান্নান, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন খান বাবুল, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মনির চৌধুরী, সেলিমুস সালাম, চাঁদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি শাহ জালাল মিশন, জেলা যুবদলের সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল গাজী বাহার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হযরত আলী ঢালী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন, সাধারন সম্পাদক ইসমাইল হোসেন পাটওয়ারী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরিদ আহাম্মেদ মানিক বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য প্রতিদিনই বাড়ছে। কিন্তু দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই। সাধারণ খেঁটে খাওয়া মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষকে না খেয়ে থাকতে হবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া এবং বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেন।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের হাজার হাজার নেতা-কর্মী রাজপথে জীবন দিয়েছে, গুম হয়েছে, জেল খাটছে। আপনাদের কষ্ট বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। রক্ত যখন দিয়েছি আরোও দেব, প্রাণ যখন দিয়েছি প্রাণ আরোও দেব। তবে এ স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করে ছাড়বো। এ হোক আমাদের সকলের অঙ্গিকার। স্বৈরাচারী খুনি শেখ হাসিনাকে বাংলার মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপে গিয়ে রক্ষা পেয়েছে। শেখ হাসিনা আপনি কোথায় যাবেন তা এখন থেকেই চিন্তা করতে থাকুন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান মফু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবু জাফর খসরু মোল্লা, দেলোয়ার হোসেন সোহেল, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল খালেক পাটওয়ারী, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল হোসেন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মহসিন মোল্লা, সদস্য সচিব আব্দুল মতিন, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, আমির হোসেন খান, মঞ্জুর হোসেন রনি, পৌর যুবদলের আহবায়ক ইমাম হোসেন পাটওয়ারী, সদস্য সচিব আমিন মিজি, ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাহাবুদ্দিন ইমন, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মেহেদী হাছান মঞ্জু, সদস্য সচিব শাওন চৌধুরীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত প্রায় ৫ হাজার নেতা কর্মি ইপস্থিত ছিলেন।